Monthly Archives: ডিসেম্বর 2011

শ্রদ্ধা…

ছোটবেলা থেকেই আমি টিভির পোকা ছিলাম। যখন ছোট ছিলাম তখন স্কুল ছুটি হওয়ার সাথে সাথে ২:৪৫ মিনিটে বাসায় চলে আসতাম এবং সাথে সাথে টিভির সামনে বসে পড়তাম কোন কার্টুন বা বাংলা মুভি দেখার জন্য নয়। শুধু মাত্র বিটিভির থিম সং টা দেখার জন্য। খুব  দারুন* লাগতো তখন। পুরো দেশটাকে দেখাত, শেষে দেখাত স্মৃতিসৌধ ও পতাকা। আর একবার দেখতাম খবরের আগে, খবরের সবচেয়ে প্রধান আকর্ষণ ছিল আমার প্রথম পনেরো সেকেন্ডের টাইটেল মিউজিকটা। তখনও অবাক হয়ে দেখতাম সে পতাকা ও স্মৃতিসৌধটাকে। Read the rest of this entry

সেরা দশ প্রদর্শনী

পেইন্টিং অনেকেরই সখ, অনেকেই আবার চায় সংগ্রহ করতে। সংগ্রহ করারও একটা নিয়ম আছে, একটা পেইন্টিং সংগ্রহ করতে কোটি কোটি ডলার খরচ করছে অনেকে, আজ আমরা এমন ১০ টা পেইন্টিং দেখবো, যেগুলো গিনেজ বুকে নাম উঠিয়েছে, সবচেয়ে মূল্যবান পেইন্টিং হিসেবে…
আসুন ১০ নাম্বার থেকেই শুরু করি…

১০। Femme aux Bras Croises by Pablo Picasso :


Femme aux Bras Croises নামের এই পেইন্টিং টি গিনেজ বুকে নাম উঠানো বিশ্বের দশম দামি পেইন্টিং। এটি ২০০০ সালের নভেম্বের ৮ তারিখ ৫ কোটি ৫০ লক্ষ ডলার বিক্রি করা হয়। এটি আঁকেন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী পালবো পিকাসো। আর ছবিটি কিনেছেন নিউ-ইয়র্কের Rockefeller। Read the rest of this entry

দুধের স্বাদ ঘোলে মিটানো!!!!

দুধের স্বাদ ঘোলে মিটানো, প্রবাদটা প্রথম শুনেছি ক্লাস ৬ এ, কিন্তু কখনো মিটানোর প্রয়োজন হয় নি। কিন্তু আজ মিটাবো। যেহেতু মিটাবোই তো আসুন সবাই মিলেই মিটাই। আজ আমরা দেখবো বিশ্বের কিছু অতি দুর্লভ কিছু জিনিস, যা আমাদের অনেকেরই বাস্তবে দেখা নাও হতে পারে, চলুন আজ অন্তত ছবি হলেও দেখি।
আমরা দেখবো বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও দামী১০ টি হীরা ।

দি মিলেনিয়াম স্টার (The Millennium Star)): এটি বিশ্বের দশম বৃহৎ হীরা। এর ওজন ২০৩.০৪ ক্যারেট । এটি যে হীরক খণ্ড থেকে কাটা হয়, সেটি উত্তোলন করা হয় কঙ্গো থেকে এবং এটির ওজন ছিল ৭৭৭ ক্যারেট। এর মূল্য এখন নির্ধারণ করা হয় নি। কিন্তু এর বিপরিতে ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড বীমা করা হয়েছিলো…।

 

Read the rest of this entry

ঘুম THE SLEEP

সেদিন  প্রবর্তকেরর মোড়ে একটা  বিলবোর্ডে  শোভা পেতে দেখলাম একটা বিছানার ছবি ও একজন লোক ঘুমিয়ে আছে, আর লিখা আছে ” মানুষ তার জীবনের এক তৃতীয়াংশ ঘুমিয়ে কাটায়, তাই ঘুমানোটা হোক নিরাপদ । প্রথমে ভাবলাম এটি কোন ঔষধের বিজ্ঞাপন, কিন্তু আর একটু নিচে তাকিয়ে দেখি এটা একটি হাউজিং কোম্পানির বিজ্ঞাপন।

বিজ্ঞাপন যারই হোক ভালোই  লেগেছে। আজ আমাদের আলোচনার বিষয় ঘুম, চিন্তার কোন কারন নেই, কারন ঘুম কেন হয়, কিভাবে হয় এসব বোরিং বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো না, কারন আমি ঘুম বিসারদ নই।  আজ আমরা দেখবো ঘুম বিষয়ক কিছু মজার ছবি, ছবি গুলো অনেক বিরল, ও অসম্ভব সুন্দর।

চলুন দেখা শুরু করি………

প্রথমে দেখবো আমাদের কুম্ফু  পাণ্ডা ভাইয়াটাকে, আহারে! উনি  কেমন কষ্ট করে ঘুমাচ্ছে…

Read the rest of this entry

অদেখা…

ছোটবেলা থেকেই ১ জন মানুষের প্রতি আমার খুব আগ্রহ ছিল, সে হল ম্যাজিস্ট্রেট। পরীক্ষার্থীদের জন্য অন্যতম ভয়ের কারন বলে খ্যাত এই মানুষটি। ছোটবেলায় যখন বড় আপু ও মামা পরীক্ষা দিয়ে আস্ত তখন তাদের মুখে প্রথম যে কথা শুনতাম তা হল “আজ ম্যাজিস্ট্রেট খুব কড়া ছিল, ১০ জনের এক্সফেইল করছে,২০ জনের খাতা নিয়ে গেছে, ব্লা ব্লা ব্লা…।”

আমি-তখন ক্লাস ফোরে পড়ি…আমার আপু যখন ssc পরীক্ষা দিতেছিল তখন তাকে আম্মু নিয়ে যেত, ১ দিন আম্মুর কাছে বায়না ধরলাম যে পরীক্ষার হলে গিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট দেখব। কিন্তু আম্মু বলছে যে, ম্যাজিস্ট্রেটকে যারা পরীক্ষার্থী ছাড়া কেউ দেখে না। সহজ মনে বিশ্বাস করলাম।

Read the rest of this entry

প্রশ্ন??

গেরিলা মুভিটা দেখলাম, খুব কষ্ট লাগলো, দেখে মনে হলো, বাংলাদেশে এখনো রাজাকাররা ঘুরে বেড়ায়। তাদের মন্ত্রিত্বও দেওয়া হয়।
মুভিটা দেখার সাথে সাথে ১ বন্ধুর কাছ থেকে শুনা তখনকার সময়ের ১ টা গল্প মনে পড়ে গেলো। গল্প বললে ভুল হবে, কেননা এটি ১টা সত্যি ঘটনা।
“১৯৭১ সাল ৫ এপ্রিল, “মইনুল ইসলাম” তখনকার সময়ের ১ টা আলিয়া মাদ্রাসার প্রিঞ্চিপাল ছিলেন। তখন শান্তি কমিটি সদস্য সংগ্রহ চলতেছে, তখন রাজাকাররা মইনুল হোসেন সাহেবের কাছে এসে বলল,”হুজুর আপনাকে যে শান্তি কমিটির সদস্য হতে হবে, আপনাকে পেলে আমরা একটু বল পাই, মইনুল সাহেব কৌশলে তাদের মানা করলেন। তিনি বলেন,” আমি আগ্রহী নই।” Read the rest of this entry

“শ্রদ্ধা”

ছোটবেলা থেকেই আমি টিভির পোকা ছিলাম। যখন ছোট ছিলাম তখন স্কুল ছুটি হওয়ার সাথে সাথে ২:৪৫ মিনিটে বাসায় চলে আসতাম এবং সাথে সাথে টিভির সামনে বসে পড়তাম কোন কার্টুন বা বাংলা মুভি দেখার জন্য নয়। শুধু মাত্র বিটিভির থিম সং টা দেখার জন্য। খুব দারুন* লাগতো তখন। পুরো দেশটাকে দেখাত, শেষে দেখাত স্মৃতিসৌধ ও পতাকা। আর একবার দেখতাম খবরের আগে, খবরের সবচেয়ে প্রধান আকর্ষণ ছিল আমার প্রথম পনেরো সেকেন্ডের টাইটেল মিউজিকটা। তখনও অবাক হয়ে দেখতাম সে পতাকা ও স্মৃতিসৌধটাকে।

ছোটকাল থেকে কতনা জল্পনা কল্পনা ছিল। পতাকা তো বুজই, কিন্তু এই পাশের লম্বা খাম্বাটা কি?? Read the rest of this entry

“সেরা দশ”

একটা জার্নালে পড়লাম পৃথিবীর ৭০ ভাগ মানুষ নাকি একটা প্রজাতির প্রাণীকে সবচেয়ে বেশি ভয় করে তা হল সাপ, সাপকে ভয় করে না এমন মানুষ পাওয়া বড় কঠিন। পাবেই বা না বা কেন ? প্রতি বছর সাপের  ছোবলে প্রতিবছর পৃথিবীতে প্রায় দশ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা যায়। 

আজ সকালে “ন্যাশনাল জিওগ্রাফি” চ্যানেলে দেখলাম বিশ্বের টপ টেন সাপ তালিকা।

শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারলাম না,

চলুন দেখি পৃথিবীর কোন সাপ গুলো আছে টপ ১০ এ… Read the rest of this entry

সিমপ্লি মা

মা কি জিনিস তা আজ উপলব্ধি করতেছি, কারন আজ আমাকে মশা কামড়াচ্ছে। আমার মনে পড়ে না, আমি কোন দিন মশারী টাঙ্গিয়েছি, আম্মুই প্রতিদিন টাঙ্গিয়ে দিত, আজ আম্মু বাসায় নেই, কিন্তু এর মধ্যে তিন বার ফোনে বলা হয়ে গেছে, মশারী টাঙ্গানোর জন্য বলা হয়ে গেছে।

কিন্তু আলসেমির জন্য টাঙ্গানো হয় নি। সারারাত মশার কামড় খাবো, আর চিন্তা করবো মা, এত স্বার্থহীন ভাবে খেটে যাচ্ছেন আমাদের পুরো পরিবারের জন্য। কি দিয়েছি জীবনে তাকে,

মাঝে মাঝে মনে করি, কেন এই মা,কি বা তাদের কাজ আমাদের জীবনে? কেনই বা তাকে দরকার আমাদের জীবনে? ‘‘আম্মু’’ শব্দটি উচ্চারণ করলেই কেমন যেন আলাদা একটা অনুভুতি জাগে মনে । ‘’আম্মু’’ সে সারা দিনই বাসার এক কোনে , যেখানে বাড়ির চুলা হাঁড়িপাতিল থাকে সেখানে থাকে । প্রতিটা দিন সে আমার থেকে বেশি তো তাদের সাথেই সময় কাটায়। আমার ‘‘আম্মু’’ আমাকে গর্ভে ধারন করেছে পুরো নয়টি মাশ । আমাকে আমার আমার আম্মু আমার থেকেও নয় মাস বেশি চিনে । আমার আম্মুকে দেখেছি ছোট্ট বেলায় হাজার কাজের মাঝেও চুলার কাছ থেকে ছুটি নিয়ে আসে আমাকে গল্প শুনাতো , আমার সাথে খেলা করত। আর যখনই বেরাতে যেতে ইচ্ছে করত আম্মু বললেই সে তার কোমল হাতে আমার কচি হাত ধরে বাইরে নিয়ে যেত । তার কোল আমার জন্য ছিল সবচেয়ে নিরাপদ । ঐ কোলে উঠেই যেন হাতের মুঠোয় পেতাম পুরো দুনিয়াটাকে । ঐ তো সেদিনই তো আম্মুর কোমল হাত ধরে হাটতে শিখলাম । তার পায়ের উপর আমাকে দাড়া করিয়ে রেখে সে আমাকে হাঁটতে শিখাতো । আর একটু বড় হলাম স্কুলে যাওয়া শুরু করলাম তখন পেলাম অন্য রকম ভালবাসা । তখন তো আমি অনেক ছোট , আমার সহপাঠী মায়েরা এসে বসে থাকত । টিফিনের সময় তাদের টিফিন খাইয়ে দিত । আমার আম্মু থাকত সেই চুলার কাছেই । কিন্তু যখন ছুটির পর আমাকে নিতে আসতো আমার খুশি তখন আর দেখে কে? আম্মুর সাথে হেঁটে কতদুর চলে যেতাম , আম্মু রাস্তায় অনেক কিছুই কিনে দিতেন । যখন আম্মু বাহির থেকে আসতো, তখন আমার জন্য একটা চকলেট হলেও আনতেন, আমার খুশি দেখে আম্মুর সেকি তৃপ্তি তা তখন খেয়াল না করলেও এখন বুঝতেছি, মার্কেটে কোন ড্রেস পছন্দ হলে দামের দিকে কমই তাকিয়েছেন? বেশি দাম হলে প্রথমে মানা করেন, কিন্তু পরে ঠিকই কিনে দেন। এতেই মনে হয় আমার আম্মুর তৃপ্তি। নিজের সখের দিকে কখনো তাকাতেন না, আমার মাঝে মাঝে আশ্চর্য লাগে এভাবে মানুষ কিভাবে থাকতে পারে, মাঝে মাঝে আম্মুকে মানুষ মনে হত না, অন্য গ্রহের প্রানি মনে হত, মানুষ এতটুকু সেক্রিফাইজ করতে পারে????

আমার আম্মু কখনো আমার অন্যায়কে প্রশ্রয় দিতেন না। নিয়মমাফিক আমার সাথে আম্মুর প্রতিমাসে কমপক্ষে ২ বার ঝগড়া হয়ে থাকে, আমি কখনো দেখি নি কখনো আমার আম্মুর ভুল ছিল, প্রতিবারই আমার ভুল ছিল। মনে পড়ে যেদিন আমি ছোটবেলায় যখন হারাইয়া গেলাম আমার আম্মু তখন পাগলের মত হয়ে গিয়েছিলেন।

আবার যেদিন পুলিশের কাছে গাড়ি নিয়ে ধরা খেলাম, ওইদিনের অবস্থা নিজেই তো দেখলাম, যখন গাড়ি করে বাসায় ফিরতেছিলাম, তখন আমারে কিছুই বলেন নি, কারন গাড়িটা আমি চালাচ্ছিলাম। বকা দিলে যদি নার্ভাস হয়ে যাবো এই ভেবে।

আমার আম্মু আমার জন্য অনেক কষ্ট করে বটে তবে আর বিনিময়ে আমি কি দিব বা দিতে পারি যা তার পাওয়াটাকে পূরণ করবে তা বুঝে উঠতে পারিনি । মাঝে মাঝে মার সাথে খারাপ ব্যবহার করি কিন্তু তখন মনে হয় “এখন আম্মুর সাথে এমন ব্যবহার করছি কিন্তু যখন সে থাকবে না তখন কি করব??”

আলো……

আমাকে যদি ভুল করে কেউ কখনও পৃথিবীর সপ্ত-আশ্চর্য নির্বাচন করতে বলেন তাহলে আমি প্রথমে স্থান দিবো ইন্টারনেট কে। কারন যখন ইন্টারনেট ব্রাউজ করি তখন আমি যেন আর দুনিয়াতে থাকি না। কেমন জানি নিজেকে বিশ্বের সবচাইতে সবজান্তা মনে হয়।

আমার ইন্টারনেট ব্যাবহার খুব বেশি দিনের নয় মাত্র ১ বছর ৩ মাস ১৩ দিন। কম্পিউটার ব্যাবহার করি অনেক দিন থেকে, কিন্তু এটা শুধু মুভি দেখা, গান শুনার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। ে কথা প্রসঙ্গে ১ টা কথা মনে পরল। আমি যখন কম্পিউটার কিনি, তখন আমার দাদা আমাকে দেখছে আমি মুভি দেখছি, তখন তিনি বললেন,” যদি জানতাম এটাতে টিভি দেখা যায় তাহলে বুজি এটা কিনতে দিতাম””।।

যাই হোক, কম্পিউটার কিনার পরে প্রায় ২ বছর পর্যন্ত আমি ইন্টারনেট সম্পর্কে জ্ঞান প্রায় শূন্যের কোটায় ছিল।। সুধু জানতাম যে ইন্টারনেট দিয়ে অনেক কিছু করা সম্ভব,কিন্তু কি করা সম্ভব তা কখনও জানতে চাইতাম না।
তারপর আজ থেকে ১ বছর ৩ মাস ১৩ দিন আগে আমার ১ বান্ধবীর সুবাদে এই ইন্টারনেটের সাথে আমার প্রথম যোগাযোগ হয়। ও আমাকে প্রথম দেখায় গুগল, আমি প্রশ্ন করি গুগল উত্তর দেয়। যা চাই তাই আমাকে দিতে সক্ষম হয়েছে এই গুগল। প্রথম দিনেই আমি গুগলের প্রেমে পড়ে যাই। আমার কেন জানি গুগলের প্রতি আমার অন্য রকম ১ টা আকর্ষণ সৃষ্টি হয়। তারপর গুগলের মাধ্যমে পরিচয় হয় উইকিপিডিয়া আর সাথে। আমি কখনও ক্লাস মিস দিতাম না, কিন্তু আমি কত ক্লাস মিস দিয়ে গুগল আর উইকিপিডিয়া নিয়ে সাইবার ক্যাফেতে বসে ছিলাম, তের হিসাব নেই। কারন ক্লাসে আমি যতটুকু জানতে পারি তারচেয়ে অনেক বেশি জানছি আমি গুগল আর উইকিপিডিয়া থেকে।
যাইহোক, কিছুদিন পর ঠিক করলাম নিজেই বাসায় নেট ব্যাবহার করবো, বাসায় অনেক বলে, ১ টা মোডেম কিনলাম, তারপর থেকে আমাকে আর পায় কে……
আমার প্রতিটা কাজে ছিল গুগলের সাজেশন। কলেজ জীবনে গুগল আর উইকিপিডিয়া ছাড়া আর কিছুতেই মন দেই নাই।
যখন ইউনিভার্সিটি তে আসলাম তখন আমার দেখতে ইন্টারনেটের আর এক আশ্চর্য ফেসবুককে। ফেসবুকে আইডি খুললাম। কিছুদিন খুব ভালো লাগল কিন্তু, কেন জানি ফেসবুকে আমার ভাল লাগে না কারন ফেসবুক অনেকটাই বোরিং। তারপর ১ সময় খোজ পেলাম সামহোয়্যার ইন ও টেকটিউনস ের মত সাইট গুলো। আমার পছন্দের অনেকটাই জুড়েই আছে গুগল, উইকিপিডিয়া,সামহোয়্যার-ইন ও টেকটিউনস। আমার জীবনের আলোর মত হয়ে আছে এগুলো, আমার মনে হয় আমি অক্সিজেন ছাড়া বাচতে পারব কিন্তু গুগল ছাড়া বাচতে পারব না। আমি খাওয়া ছাড়া থাকতে পারব, কিন্তু উইকিপিডিয়া,সামহোয়্যার-ইন ও টেকটিউনস ছাড়া থাকতে পারব না।
আমার সেই বান্ধবীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ, কারন সে না দেখালে আমি হয়ত আজ এই লিখাটা লিখতে পারতাম না…