স্কুলের এসেম্বলি এবং একটি রহস্য উৎঘাটন…
প্রতিদিন সকালে অনেকের অনেক ভাবেই ঘুম ভাঙ্গে কারো আজানের ধ্বনিতে, কারো বা আম্মুর বকুনিতে, কারো মোবাইলের এলার্মে, কারো কাকের শব্দে, কারো আবার গাড়ির হর্নে। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে সব গুলোই বাত্থ হয়, কিছুতেই আমার ঘুম ভাঙ্গে না। শেষ পর্যন্ত, বাসার পাশের স্কুলের এসেম্বলির শব্দে ঘুম ভাঙ্গে, সবার হয়তবা জানা আছে, এসেম্বলির এক পর্যায়ে, শরীরচর্চার অংশ হিসেবে, হাত পায়ের কিছু কসরত করা হয়ে থাকে, কিন্তু এখানে বলা হয়, one…two…three…four..
সকালের এসেম্বলি থেকে শুরু করে আমাদের আমাদের খাতাপত্রে প্রতিদিনই শোভা পায় এই 1,2,3—–0 । কখন কি ভেবে দেখেছি এগুলো এলো কোথা থেকে, বা কি কারনেই বা one দেখেতে ’1′ এর মত, বা two দেখতেই বা কেন ’2′ এর মত দেখতে, আসুন একটু বিশ্লেষণ করি।
আমরা ইংরেজিতে যেভাবে এক, দুই লিখে থাকি, এই নিয়মটা প্রথমে এনেছিল আরবীয় গনিতবীদরা, তারা এই এই সংখ্যা গুলোকে প্রকাশ করেছেন কোনের ভিত্তিতে, আর বেশি কথা না বাড়িয়ে নিচের ছবি গুলো দেখি এবং রহস্যটা উৎঘাটন করি…
দেখুন একটা কোন বিশিষ্ট 1
দুই কোন বিশিষ্ট 2….
তিন কোনের 3..
চারটা কোনের 4…
পাঁচটা কোনের 5
ছয়টা কোনের 6
কিন্তু শুন্যের কি হবে, যেহেতু তার কোনই নাই, তাই সে দেখতে সে এমন।

আর বাংলা ১,২,৩ শব্দ গুলো এসেছে পর্তুগীজদের থেকে,
সবাই ভালো থাকবেন…।
Posted on জানুয়ারি 4, 2012, in Uncategorized. Bookmark the permalink. 4 টি মন্তব্য.














সুন্দর পোষ্ট।
ধন্যবাদ
thnx for rohosso uthghaton er jonno……..
bah nice to!!!