সেরা নয়জন মহিলা সিরিয়াল কিলার
গতকাল রাতে SAW মুভিগুলো দেখলাম, ২ টা পার্ট দেখলাম, দেখে বুজলাম এটি একটি সিরিয়াল কিলার টাইপের মুভি, তাই হঠাৎ করে সিরিয়াল কিলারদের নিয়ে লিখতে ইচ্ছা হল, আমার যতোটুকু মনে হয় সিরিয়াল কিলাররা মানসিক ভাবে সুস্থ থাকে না, কারন বেশিরভাগ সিরিয়াল কিলাররা আত্মহত্যা করে, যাক সে কথা আজ আমারা পরিচিত হবো কিছু বিখ্যাত* সিরিয়াল কিলারের সাথে তবে তারা সবাই মহিলা সিরিয়াল কিলার, ভালো লাগতে পারে।
লাভিনিয়া ফিশারঃ
লাভিনিয়া ফিশার ছিলেন পৃথিবীর অন্যতম মহিলা সিরিয়াল কিলারদের মধ্যে অন্যতম। এবং উনি ছিলেন USA এর প্রথম মহিলা সিরিয়াল কিলার। লাভিনিয়া ফিশার ১৭৯২ সালে জন্মগ্রহণ করেন, এবং ১৮২০ সালে মারা যান। মাত্র ২৮ বছরের জীবনে উনি অনেক গুলো সিরিয়াল খুন করেছেন, উনি আর উনার স্বামী সুজনে মিলে সাউথ ক্যারোলিনাতে কার্লস্টোন নামের একটা আবাসিক হোটেল চালাতেন, এবং সেখানেই যত কুকীর্তি করতেন, পরে অবশ্য তারা দুজনই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
বেলি জুনিশঃ
বেলি জুনিশ নামের এই মহিলা সিরিয়াল কিলার তার জীবনে ৪০ টারও বেশি খুন করেছেন। বেলি জুনিশ ১৮৫৯ সালে নরওয়ে তে জন্মগ্রহণ করেন, এবং পরে USA তে আসেন এবং শিকাগোতে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তার একটা বৈশিষ্ট্য ছিল, তিনি খুন করার পরে একটা অট্টহাসি দিত। যাই হোক, ১৯০৮ সালে উনি তার নিজের বাড়িতে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেন, সে আগুনে মারা যায় তার তিন মেয়ে।
জেনি টোপানঃ
বুড়ো বয়সে ভীমরতি জালে বলে তাই দেখা যায় জেনি টোপান জীবন থেকে, একটা মিথ্যা খুনের মামলায় কিছুদিন জেলে ছিলেন, এরপর তিনি জেল থেকে বের হয়ে ফিল্মি স্টাইলে এক এক করে প্রায় ডজনখানেক মানুষকে মারলেন। তখন তার বয়স ছিল ৭৮। খুন গুলোর পর তিনি আবার জেলে যায়, এবং ৮১ বছর বয়সে তিনি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
ভেলমা বারফিল্ডঃ
USA তে ঠাণ্ডা মাথার খুনি বলে পরিচিত ছিলেন। উনার একটা মজার ব্যাপার হল উনার মারার কৌশল। উনি গতানুগতিক ধারায় খুন করতেন না, উনার সিরিয়াল কিলিং এর জীবনের ৬ খুন করেছেন আর্সেনিক খাইয়ে। খুন করার পর উনি নিজেও মারা গেছেন আর্সেনিক খেয়ে।
আমেলিয়া ডায়ার:
ইতিহাসের অত্যন্ত ভয়ংকর সিরিয়াল কিলার নামে পরিচিত আমেলিয়া ডায়ার । সে পূর্ণবয়স্ক মানুষ মারত না, সে মারত শিশু। তার একটা শিশু পরিচর্চালয় ছিল, কিন্তু তার হঠাৎ কি হল, তার কাছে থাকা শিশুগুলোকে এক এক করে না খাইয়ে মেরে ফেললো এই নিষ্ঠুর মহিলা…
নেনি ডস :
মারাত্মক স্ত্রী নামে কুখ্যাত এই মহিলাটির ইতিহাস অনেক মারাত্মক। সে তার চার স্বামী, তার প্রায় সব আত্মীয় কে খুন করে। শুধু তাই না সে তার নিজের বোন, তার দুই সন্তান, সে নিজের আপন মাকেও খুন করে, সব কুকীর্তির পর তাকে জেলে পাঠানো হয়, এবং ৫৯ বছরে সে জেলেই মারা যায়।
বেরথা গিফরডঃ
২ ডজন পর্যায়ক্রমিক খুন করে সিরিয়াল কিলার খ্যাতি অর্জন করেছিলেন তিনি, তার খুনের স্বীকার হন তার অসুস্থ বন্ধু ও পরিবারের সদস্যরা, ১৮৭৬ সালে জন্ম নেওয়া ইতিহাসের এই নির্দয় মহিলা জেলের ভাত খাওয়ার অপমান সহ্য করতে না পেরে, নিজেই আত্মহত্যা করেন। কিন্তু এটি আত্মহত্যা নাকি জেলহত্যা এটা নিয়ে বিতর্ক আছে।
জেনি এভার :
মাত্র ৩৬ বছর বাঁচলেও জেনি এভার পরিচিত হন বিংশ শতাব্দীর কুখ্যাত খুনি হিসেবে। তার খুনির জীবন শুরু হয় তার নিজের বোনের ১৮ মাসের বাচ্চা হত্যার মধ্য দিয়ে। এরপর সে আরেক বোনের ২ বছরের মেয়েকে হত্যা করে, এর পর সে নিজের ছোট বোনকে হত্যা করে, এবং সে সবগুলো খুন করে শ্বাসরোধ করে। হত্যার পর সে সব স্বীকার করে এবং পরে নিজেই বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করে।
ডরথা পুইন্তি :
অতি ঠাণ্ডা মেজাজের ও মেধাবী খুনি ছিলেন ডরথা পুইন্তি । ১৯৬০ সাল থেকে তার খুনের জীবন শুরু হয়। এক এক করে খুন করেন ১৭ টা মানুষ। তিনি জীবনে অনেকগুলো বিয়ে করেন, এবং সব গুলোকে খুন করেছেন। উল্লেখ্য ডরথা পুইন্তি কয়টা বিয়ে করেছেন, তা এখনও প্রকাশ করেন নি। আর উনার খুন করার কৌশল ছিল সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক। । এই সিরিয়াল কিলার গত বছরের মার্চ মাসে ৮২ বছর বয়সে মারা যান।
সবাই ভালো থাকবেন, এবং আপনাদের কারো সাথে সিরিয়াল কিলারদের পরিচয় থাকতে আমার কাছে পাঠিয়ে দিবেন..
:P:P
Posted on জানুয়ারি 29, 2012, in Uncategorized. Bookmark the permalink. 6 টি মন্তব্য.









ভয় পাইছি!
এইসব জাদরেল, বদমাইশ মহিলাদের কাহিনী পড়ে।
হমম..সিরিয়াল কিলিং এ মেয়েদের দৌড তো দেখলাম, এবার নেক্সট পার্টে ছেলেদের লিস্টটা দিও
etokichu mathay kotha theke ase
Bhalo kaj korse tara. Khub bhalo manush ei mohilara. Beshi bhalo.